SIP : ১,০০০ টাকার SIP-তে হবে ৫ লাখের তহবিল, জেনে নিন কত বছর সময় লাগবে ?

Share

Investment Plan : কিন্তু আপনি যদি প্রতি মাসে মাত্র ১,০০০ টাকা করে বিনিয়োগ করেন, তবে ৫ লাখ টাকার লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপনার কত দিন সময় লাগবে?

Investment Plan : নিয়মিত কম পরিমাণে টাকা জমিয়ে আপনি গড়তে পারেন বড় তহবিল। সেই ক্ষেত্রে মিউচুয়াল ফান্ড (Mutual Fund) হতে পারে ভলা বিকল্প। মাসে মাসে সিস্টেমেটিক ইন্ভেস্টমেন্ট প্ল্যানের (SIP) মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন ভাল রিটার্ন । জেনে নিন,কীভাবে জমা করবেন টাকা ?

ছোট বিনিয়োগ দিয়েই বড় তহবিল

আজকাল একটি বড় তহবিল বা কর্পাস তৈরি করার অন্যতম সেরা মাধ্যম হয়ে উঠেছে মিউচুয়াল ফান্ডের SIP (Systematic Investment Plan)। কিন্তু আপনি যদি প্রতি মাসে মাত্র ১,০০০ টাকা করে বিনিয়োগ করেন, তবে ৫ লাখ টাকার লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপনার কত দিন সময় লাগবে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আপনার বিনিয়োগের ওপর প্রাপ্ত বার্ষিক রিটার্ন বা লাভের হারের (Annual Return) ওপর। নিচে তিনটি ভিন্ন রিটার্ন রেটের ওপর ভিত্তি করে একটি বিশদ হিসাব দেওয়া হলো:

১  বার্ষিক ১২%  রিটার্ন পেলে 
যদি আপনার পছন্দের ফান্ডটি দীর্ঘমেয়াদে গড়ে ১২% হারে রিটার্ন দেয়, তবে ৫ লাখ টাকার লক্ষ্য ছোঁয়ার হিসেবটি হবে ঠিক এইরকম:

সময়: প্রায় ১৫ বছর।

আপনার মোট বিনিয়োগ: ১.৮০ লাখ টাকা।

লাভ বা সুদ: বাকি ৩.২০ লাখ টাকাই আসবে চক্রবৃদ্ধি হারের ম্যাজিকে।

পরামর্শ: দীর্ঘমেয়াদে বেশিরভাগ ভালো ইক্যুইটি ফান্ড (Equity Funds) সহজেই ১২% রিটার্ন দিতে সক্ষম।

২ বার্ষিক ১৫% রিটার্ন পেলে 
যদি ফান্ডটি একটু ভালো পারফর্ম করে এবং ১৫% রিটার্ন দেয়, তবে লক্ষ্যপূরণ আরও সহজ হয়ে যাবে:

সময়: মাত্র ১৩ বছর ৩ মাস।

আপনার মোট বিনিয়োগ: প্রায় ১.৫৯ লাখ টাকা।

সুবিধা: বাজারে থাকা বেশ কিছু ভালো পারফর্মিং ফ্লেক্সি-ক্যাপ ফান্ড (Flexi-cap Funds) দীর্ঘমেয়াদে এই ধরনের চমৎকার রিটার্ন দিয়ে থাকে।

৩ বার্ষিক ২০% রিটার্ন পেলে 
১২% রিটার্নের তুলনায় ২০% রিটার্ন পেলে আপনি প্রায় ৪ বছর আগেই আপনার লক্ষ্যে পৌঁছে যাবেন:

সময়: মাত্র ১১ বছর।

সুবিধা: স্মল-ক্যাপ বা হাই-রিস্ক ফান্ডগুলি তেজি বাজারে অনেক সময় এই ধরনের উচ্চ রিটার্ন দিতে পারে।

কম্পাউন্ডিংয়ের শক্তি ও বাজারের ঝুঁকি: কী মাথায় রাখবেন ?
১ চক্রবৃদ্ধি বা কম্পাউন্ডিংয়ের জাদু 
SIP-র সবচেয়ে বড় শক্তি হলো কম্পাউন্ডিং। রিটার্নের হার সামান্য কয়েক শতাংশ বাড়লেই আপনার লক্ষ্যপূরণের সময় বেশ কয়েক বছর কমে আসতে পারে। যত বেশি সময় ধরে বিনিয়োগ ধরে রাখবেন, জাদুর মতো বাড়তে থাকবে আপনার টাকা।

২ বাজারগত ঝুঁকি 
মনে রাখা জরুরি যে, মিউচুয়াল ফান্ডের রিটার্ন কখনোই ফিক্সড ডিপোজিট বা পিএফের মতো নিশ্চিত বা স্থায়ী হয় না। এটি সম্পূর্ণভাবে শেয়ার বাজারের ওঠানামা এবং আপনার বেছে নেওয়া স্কিমের ওপর নির্ভর করে।

৩ দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি
স্বল্পমেয়াদী বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অনেক সময় রিটার্ন কম বা নেতিবাচক হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদে (Long-term) বিনিয়োগ বজায় রাখেন, তবে বড় অঙ্কের লাভ পাওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।

(সতর্কীকরণ: মিউচুয়াল ফান্ড বিনিয়োগ বাজারগত ঝুঁকি সাপেক্ষ। বিনিয়োগ করার আগে ফান্ডের সমস্ত নথি ভালো করে পড়ে নিন অথবা একজন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।)

Read more

Local News