Amit Shah : ‘দেশের সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলুন’, বার্তা শাহর

Share

Illegal Constructions : বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ফের কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

নয়াদিল্লি : বেআইনি নির্মাণে ‘জিরো টলারেন্স’। ক্ষমতায় এসেই অবস্থান একেবারে স্পষ্ট করে দিয়েছে এ রাজ্য়ের বিজেপি সরকার। আগামী দিনেও বেআইনি নির্মাণের ভবিষ্য়ৎ যে এটাই, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ফের কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, “আন্তর্জাতিক সীমানার ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে সব বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলতে হবে।” এককথায়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে এবং বিগত বছরগুলিতে গড়ে ওঠা এই ধরনের সমস্ত স্থাপনা ভেঙে ফেলার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জেলাশাসকদের ওপর বর্ধিত দায়িত্ব অর্পণ করেছে। এর আওতায় সীমান্ত এলাকায় সকল ব্যাঙ্কের লেনদেনের আইনি ও আর্থিক নিয়মকানুন মানা হচ্ছে কি না নিশ্চিত করা, বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলি যাচাই করা, তাদের অর্থের উৎস খতিয়ে দেখা, ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও নকল কোম্পানির সন্ধান করা, জাল আধার কার্ড শনাক্ত করা এবং আন্তঃসীমান্ত চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করা।

মঙ্গলবার রাজস্থানের বিকানেরে নিরাপত্তা পর্যালোচনা সংক্রান্ত একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করার সময় শাহ ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত রাজস্থানের সীমান্তবর্তী জেলাগুলির নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি মূল্যায়ন করেন। সেই বৈঠকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা, রাজ্যের সিনিয়র আধিকারিকরা এবং পাঁচটি সীমান্তবর্তী জেলা – বিকানের, জয়সলমের, বারমের, শ্রী গঙ্গানগর ও ফালোদি-র জেলাশাসক ও পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, অপরাধ ও মাদক-সমস্যার পিছনের উৎস, ধরন ও নেটওয়ার্ক নিয়ে গভীর সমীক্ষা চালাতে এবং স্থায়ী সমাধান করতে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে এই সমস্যাগুলি পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে না ওঠে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিটি সীমান্ত জেলার জন্য একটি ৩৬০-ডিগ্রি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন।

Read more

Local News