Home Blog

যুক্তরাষ্ট্রের হামলা; ইরানের কেশম দ্বীপে; পাল্টা হামলা কুয়েত,বাহরাইনে

এশিয়ানিউজ:
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের ধারাবাহিক কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ‘সফলভাবে প্রতিহত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর ইরানের কেশম দ্বীপে ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। কেশম দ্বীপে হামলার জবাবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো কুয়েত ও বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যস্থল করেছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী।
মঙ্গলবার মার্কিন বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে বলেছে, “আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের দিকে বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। তবে সবগুলোই তাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানতে ব্যর্থ হয়েছে।
“কুয়েতের দিকে ছোড়া দুটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যে পৌঁছতে ব্যর্থ হয় অথবা পথেই ভেঙে পড়ে। আর বাইরানের দিকে ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন ও বাহরাইনের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিহত করেছে।”
কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘শত্রুর’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তরে আঘাত হেনেছে ও ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের পৃথক আরেকটি বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তারা বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তরে আঘাত হেনেছে।

Para Athlete Murder: জাতীয় স্তরের প্যারা অ্যাথলিটকে গুলি করে খুন, জাপানে প্যারা এশিয়ান গেমসে যাওয়ার ঠিক আগে, গ্রেফতার প্রতিদ্বন্দ্বী

Chirag Tyagi Murder Case: উত্তরপ্রদেশে প্যারা অ্যাথলিটকে গুলি করে খুন। গ্রেফতার প্রতিদ্বন্দ্বী প্যারা অ্য়াথলিট যশ খটিক।

গাজিয়াবাদ: উত্তরপ্রদেশে গুলি করে খুন প্য়ারা অ্যাথলিটকে। প্যারা এশিয়ান গেমসের জন্য সম্প্রতি কোয়ালিফাই করেছিলেন তিনি। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে জাপান যাওয়ার কথা ছিল সেই উপলক্ষে। এই খুনের ঘটনায় মৃতের প্রতিদ্বন্দ্বীর নামই উঠে এসেছে। (Chirag Tyagi Murder Case)

উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের ঘটনা। ২৫ বছর বয়সি প্যারা অ্যাথলিট চিরাগ ত্যাগীকে গুলি খুন করা হয়েছে। বেঙ্গালুরুতে আয়োজিত ন্যাশনাল প্যারা অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে, ৪০০ মিটারের দৌড়ে সম্প্রতি সোনার মেডেল জেতেন চিরাগ। প্রতিভাবান প্যারা অ্যাথলিট হিসেবে নামও হয়েছিল বেশ। কিন্তু বেঘোরে প্রাণ চলে গেল তাঁর। (Para Athlete Murder)

আরও পড়ুন: সোনারপুরে অভিষেককে ঘিরে তুলকালাম, ‘ডিমের দাম বাড়বে’, প্রতিক্রিয়া দিলীপের

বুধবার সকালেই বাড়িতে ফোন করেছিলেন চিরাগ। কাকা রাজেশ ত্যাগীকে জানিয়েছিলেন, দুপুর ৩.৩০টে নাগাদ বাড়ি পৌঁছে যাবেন। এর কিছু ক্ষণ পর চিরাগকে ফোন করা হলে আর পাওয়া যায়নি। ফোন সুইচড অফ ছিল। কোনও খোঁজ মিলছিল না। তাঁকে না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পরিবারের লোকজন। থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

শেষ পর্যন্ত শনিবার বিকেলে গাজিয়াবাদের সাই কুঞ্জ এলাকা থেকে চিরাগের দেহ উদ্ধার হয়। গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। ক্ষত পাওয়া যায় শরীরে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে যশ খটিক নামের আর এক প্যারা অ্যাথলিটকে আটক করে পুলিশ। জানা যায়, এক সময় চিরাগের সঙ্গেই অনুশীলনে যেত যশ। ‘দৃষ্টিহীন’ ক্যাটেগরিতে চিরাগের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল যশ।

আরও পড়ুন: এই কি মহাপ্রলয়? ভয়ঙ্কর দৃশ্য মরুরাজ্যে, ধুলোঝড়ে ভরদুপুরে আঁধার নেমে এল, স্তব্ধ হয়ে গেল জনজীবন

পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় একদশক ধরে চেনাশোনা চিরাগ এবং যশের। এমনকি চিরাগের সঙ্গে একই ঘরে থাকত সে। গত পাঁচ বছর ধরে একসঙ্গে প্রশিক্ষণও চলত। যশকে খুব বিশ্বাস করতেন চিরাগ। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, নথি যাচাইকরণের সময় যশের বিরুদ্ধে চিরাগ অভিযোগ জানিয়েছিলেন। এর ফলে ডিসকোয়ালিফায়েড হয়ে যায় যশ। সেই প্রতিশোধস্পৃহা থেকেই চিরাগকে যশ গুলি করে বলে জানা গিয়েছে। গুলি চালাতে একটি পিস্তল ব্যবহার করেছিল সে। 

ডিসিপি ধবল জয়সওয়াল জানিয়েছেন, পেশাগত ঈর্ষা থেকে এই ঘটনা। চিরাগকে একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে পিছন থেকে গুলি করা হয়। যশকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। খুনে ব্যবহৃত পিস্তলটির খোঁজ চলছে। এই ঘটনায় আরও কেউ যুক্ত ছিল কি না, দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

El Nino : স্বস্তি নেই ! গত কয়েকবছরের সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হতে পারে এবার, ‘এল-নিনো’ নিয়ে ভয়ঙ্কর পূর্বাভাস

জুন মাস থেকেই দুর্বল অবস্থায় এল নিনোর প্রভাব শুরু হতে পারে। জুলাই-আগস্টে তা মাঝারি শক্তি অর্জন করবে এবং সেপ্টেম্বর নাগাদ পূর্ণ শক্তিতে পৌঁছে ভারতের আবহাওয়ায় বড় প্রভাব ফেলবে।

কলকাতা : প্রাক বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজছে পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু বর্ষা নিয়ে এবার খুব একটা আশাব্যাঞ্জক বার্তা দিচ্ছে না আবহাওয়া দফতর। বরং গত কয়েক বছরের মধ্যে সবথেকে কম বৃষ্টি হতে পারে এই বছর। কারণ ‘এল নিনো’। কারও কারও কথায় সুপার ‘এল নিনো’। চলতি বছরের বর্ষায় ‘এল নিনো’ প্রভাব নিশ্চিত ! এমনটা এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন IMD-র ডিরেক্টর জেনারেল ডঃ মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র। তাঁর আশঙ্কা, এর জেরে গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বৃষ্টি দেখতে পারে ভারত। India Today কে দেওয়া এক  সাক্ষাৎকারে IMD প্রধান জানিয়েছেন, জুন মাস থেকেই দুর্বল অবস্থায় এল নিনোর প্রভাব শুরু হতে পারে। জুলাই-আগস্টে তা মাঝারি শক্তি অর্জন করবে এবং সেপ্টেম্বর নাগাদ পূর্ণ শক্তিতে পৌঁছে ভারতের আবহাওয়ায় বড় প্রভাব ফেলবে।

কী এই এল নিনো? কেন এত উদ্বেগ?

এল নিনো হল প্রশান্ত মহাসাগরের (Pacific Ocean) জলের অস্বাভাবিক উষ্ণতা বৃদ্ধি। এই উষ্ণতা এশিয়ার আবহাওয়ার স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করে দেয়। বিশেষ করে ভারতের বর্ষা, তাপপ্রবাহ, কৃষি এবং জলসম্পদের উপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ে। আবহাবিদদের মতে, এল নিনো সক্রিয় হলে সাধারণত ভারতে বর্ষার বৃষ্টিপাত কমে যায়। একই সঙ্গে বাড়ে তাপপ্রবাহের আশঙ্কাও। ফলে কৃষিক্ষেত্র, পানীয় জলের জোগান এবং বিদ্যুতের চাহিদায় চাপ তৈরি হয়।

জুনেই শুরু, সেপ্টেম্বরেই সবচেয়ে বড় প্রভাব

ডঃ মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, জুন মাসে এল নিনো দুর্বল অবস্থায় তৈরি হলেও জুলাই এবং অগাস্টে তার প্রভাব আরও বাড়বে। সেপ্টেম্বর মাসে এল নিনো পুরোপুরি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। এই পরিস্থিতিতে IMD ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, এ বছরের মনসুনে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বৃষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

NASA-র স্যাটেলাইটেও ধরা পড়েছে বড় সংকেত

উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থাগুলির পূর্বাভাস। অস্ট্রেলিয়ার Bureau of Meteorology (BOM) জানিয়েছে, জুন থেকেই এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে চিনের National Climate Centre-ও জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতা ইতিমধ্যেই এল নিনো পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং আগামী মাসগুলিতে তা আরও শক্তিশালী হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে NASA-র স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ থেকে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রশান্ত মহাসাগরের নিচে বিশাল উষ্ণ জলের স্তর তৈরি হচ্ছে। এই ‘subsurface heat reservoir’-কেই এল নিনো তৈরির অন্যতম প্রধান সংকেত হিসেবে দেখা হয়।

ভারতের জন্য কতটা বিপজ্জনক?

ভারতে এল নিনোর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে বর্ষার উপর। এর ফলে –

  • কমে যেতে পারে মৌসুমি বৃষ্টিপাত
  • বাড়তে পারে তাপপ্রবাহ
  • চাপে পড়তে পারে কৃষি উৎপাদন
  • জলসংকটের আশঙ্কা বাড়তে পারে
  • বিদ্যুতের চাহিদা বাড়তে পারে

বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তর-পশ্চিম ভারত, মধ্য ভারত এবং কিছু দক্ষিণের রাজ্যে বৃষ্টির ঘাটতি বেশি দেখা যেতে পারে।

কেন ভারতে এই ঋতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?

ভারতের প্রায় ৫০ শতাংশ কৃষিজমি এখনও বর্ষার বৃষ্টির উপর নির্ভরশীল। ফলে বর্ষা দুর্বল হলে সরাসরি প্রভাব পড়ে খাদ্য উৎপাদন, মূল্যবৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনীতিতে। এই পরিস্থিতিতে ‘এল নিনো’র সম্ভাবনা কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই আবহাওয়া ও কৃষি দফতর পরিস্থিতির উপর নজরদারি শুরু করেছে। বিশ্বের একাধিক আবহাওয়া সংস্থা এখন প্রায় একইরকম পূর্বাভাস দিচ্ছে। ফলে ‘এল নিনো’ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতার পরিবর্তনই ঠিক করবে ভারতের বর্ষা কতটা দুর্বল হবে।

Plastic Currency Notes: ফের টাকার চেহারা বদল? কাগজ নয়, এবার প্লাস্টিকের নোট ছাপার ভাবনা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের

Polymer Currency Notes: এবার নোটবদলের ভাবনা। কাগজ নয়, প্লাস্টিকের টাকা উঠবে হাতে? শীঘ্রই ঘোষণা করতে পারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

নয়াদিল্লি: আজ থেকে বছর দশেক আগে বদলে গিয়েছিল ভারতীয় টাকার চেহারা। চিরাচরিত ‘চাপা রং’ বদলে গিয়েছিল কমলা, গোলাপি, নীলের মতো উজ্জ্বল রংয়ে। একদশক পর ফের টাকার চেহারাবদলের ভাবনা। গত কয়েক বছরে নগদের চাহিদা যেভাবে বেড়েছে, তা সামাল দিতে এবার প্লাস্টিকের ব্যাঙ্কনোট ছাপার ভাবনা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের।

দিল্লি সূত্রে খবর, পটনা এবং মুম্বইয়ে আয়োজিত রিজার্ভ ব্যাঙ্কের শেষ দুই বোর্ড মিটিংয়ে প্লাস্টিক বা পলিমার ব্যাঙ্কনোট ছাপার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্যাঙ্কনোট ছাপার খরচ বাঁচানো অগ্রাধিকার পেয়েছে। পাশাপাশি, প্লাস্টিক যে দীর্ঘ সময় অক্ষত থাকে, সেকথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত। শীঘ্রই এ নিয়ে ঘোষণা হতে পারে।

ভারতে এবার প্লাস্টিক বা পলিমার ভিত্তিক ব্যাঙ্ক নোট?

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে ‘বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’ জানিয়েছে, কাগজের ব্যাঙ্কনোট ছাপার খরচের কথা যদি মাথায় রাখা হয়, সেক্ষেত্রে পলিমার ব্যাঙ্কনোট অনেক বেশি লাভজনক। ATMগুলিও পলিমার ভিত্তিক ব্যাঙ্কনোট বিতরণে সক্ষম হবে। বর্তমানে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সামর্থ্য় আছে ভারতের।

প্লাস্টিক মানি কী?

পলিমার নোট এক ধরনের বিশেষ প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। এই ধরনের নোটকে প্লাস্টিক মানি বা প্লাস্টিক নোট বলা হয়। মূলত Biaxially Oriented Polypropylene সিন্থেটিক প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয় এক্ষেত্রে, যা পাতলা, স্বচ্ছ এবং নমনীয় শিট তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। স্বচ্ছ শিটের উপর রংয়ের প্রলেপ পড়ে। তার পর নকশা করা হয়। এই ধরনের নোট সহজে ছেঁড়ে না, জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে না।

নগদের চাহিদা বৃদ্ধির জন্যই কি?

হিসেব বলছে, ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে কাগজের ব্যাঙ্কনোট ছাপতে খরচ হয়েছে ৬৩৭২.৮ কোটি টাকা। ২০২৩-’২৪ অর্থবর্ষে খরচ হয় ৫১০১.৪  কোটি। ২০২৫ সালে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যে রিপোর্ট দেয়, তাতে বলা হয়েছিল, চাহিদাবৃদ্ধির কারণেই নোট ছাপার খরচ বেড়ে গিয়েছে।

ব্যাঙ্কনোটের স্থায়িত্ব বৃদ্ধির জন্য় পলিমার ব্যবহার উচিত বলে মনে হয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের। কারণ যেমন তেমন ভাবে ব্যবহারের ফলে কাগজের ব্যাঙ্কনোট দ্রুত জরাজীর্ণ আকার ধারণ করে। সেগুলিকে বেশি মাত্রায় নষ্ট করা হয়। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালে ২৩৮০ কোটি জরাজীর্ণ কাগজের নোট বাতিল করতে হয়েছিল। ২০২৫ সালে সেই সংখ্য়া ছিল ২১২৪ কোটি, অর্থাৎ ১২.৩ শতাংশ বেশি জরাজীর্ণ নোট বাতিল করতে হয় ২০২৫ সালে। যে কাগজের নোট বাতিল করতে হয়, তার মধ্যে সিংহভাগই ছিল ৫০০ টাকার নোট। ১০০ টাকার নোট ছিল দ্বিতীয় স্থানে

এ থেকে আরও একটি বিষয় পরিষ্কার যে, যতই ডিজিটাল লেনদেনকে গুরুত্ব দেওয়া হোক না কেন, বাজারে নগদের চাহিদা কমার পরিবর্তে বেড়েছে। গত ১৫ মে পর্যন্ত বাজারে ৪,২৮৬,০০০ কোটির মুদ্রা রয়েছে, যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ২০২৬-’২৭ অর্থবর্ষের প্রথম দেড় মাসেই বাজারে চালু মুদ্রার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ১১০০০০ কোটি। এতেই বোঝা যায়, ডিজিটাল লেনদেনের যুগেও নগদের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে উত্তরোত্তর। গত কয়েক বছরে বিশেষ করে ১০ টাকা, ২০ টাকার নোটের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও কম টাকার নোটের পরিমাণ সেই অর্থে বৃদ্ধি পায়নি। গত দু’বছরে বাজারে ১০ টাকার নোট ছিল মোটে ০.৭ শতাংশ, ২০ টাকার নোট ছিল ০.৮ শতাংশ। ১০ টাকা এবং ২০ টাকার কয়েনও চালু করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তবে কয়েনের ব্যবহার ততটাও বাড়েনি। ২০২৪ সালে ১২০ কোটি কয়েন সরবরাহ করা হয়েছিল। ২০২৫ সালে তা বেড়ে হয় ১৫০ কোটি। এর মধ্যে ৫ টাকার কয়েন ছিল ৮০ কোটি, ৪০ কোটি ২০ টাকার কয়েন।

প্লাস্টিকের ব্যাঙ্কনোট চালুর ভাবনা আগে থেকেই ছিল

তবে প্লাস্টিক বা পলিমারের নোট চালুর ভাবনা এই প্রথম নয়। ২০১২ সালে তদানীন্তন UPA সরকার পরীক্ষামূলক ভাবে পলিমার উপাদান দিয়ে তৈরি নোট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। প্রথম ধাপে ১০০ কোটি ১০ টাকার পলিমার ভিত্তিক নোট চালুর ভাবনা গৃহীত হয়। তবে জাল নোট রুখতে নয়, টাকার স্থায়িত্ব বাড়াতেই ওই ভাবনা গৃহীত হয়। কিন্তু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার জেরে তার বাস্তবায়ন ঘটেনি সেই সময়। সময়ের সঙ্গে সেই প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা গিয়েছে। এখন ATM প্লাস্টিক বা পলিমারের নোট চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়ে উঠেছে। 

পৃথিবীর ৬০টি দেশে পলিমার ভিত্তিক ব্যাঙ্কনোট চালু রয়েছে। ১৯৮৮ সালে অস্ট্রেলিয়াই প্রথম পলিমার ভিত্তিক নোট চালু করে। পরে সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, তাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া। ইউরোপে প্রথন পলিমার ভিত্তিক নোট চালু করে রোমানিয়া, ১৯৯৮ সালে। ২০১১ সালে ওই পথে হাঁটে কানাডা। আমেরিকার ডলার তৈরি হয় বিশেষ ধরনের কটন-লিনেনের মিশ্রণ দিয়ে। এবার ভারত পলিমার ভিত্তিক নোট চালুর কথা ভাবছে।

TMC News: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে থানায় ভবানীপুরের বাসিন্দা, গুজরাতিদের অপমান করার অভিযোগ

Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের। গুজরাটি সম্প্রদায়ের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ। 

সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হল। গতকাল রাতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নামে অভিযোগ দায়ের হয়। গুজরাতি সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ অভিষেকের বিরুদ্ধে। এক্স হ্যান্ডলে গুজরাতি সম্প্রদায়ের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। (Abhishek Banerjee)

অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন অর্ণবকান্তি দাস নামের এক ব্যক্তি। লিখিতে অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২ মে, বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন অভিষেক, যাতে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের প্রতি ‘গ্যাং’ শব্দটি ব্যবহার করেন। অর্ণবকান্তির অভিযোগ, গুজরাতি সম্প্রদায়ের মানুষের ভাবাবেগে আঘাত করেছেন অভিষেক। যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন তিনি, তাতে সামাজিক অশান্তি হতে পারে, অভিষেকের মন্তব্য উস্কানিমূলক বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। (TMC News)

অর্ণবকান্তি নিজেও ভবানীপুরের বাসিন্দা। বুধবার বিকেলে দু’পাতার অভিযোগ জমা দেন তিনি। সেই অভিযোগপত্র গৃহীত হয়েছে থানায়। অভিযোগপত্রটির রিসিভিং সাইনও দেওয়া হয়েছে অভিযোগকারীকে। এর আগে অভিষেকের বিরুদ্ধে বিধাননগর কমিশনারেটে অভিযোগ দায়ের হয়। সেই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। এবার দ্বিতীয় অভিযোগ দায়ের হল, তাও আবার কলকাতার ভবানীপুর থানায়।

অভিষেকের যে পোস্ট ঘিরে এই অভিযোগ, সেটি গত ২ মে-র। ফলতায় পুনর্নির্বাচন হবে বলে ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সেই ঘোষণা নিয়ে কটাক্ষ করেন বিজেপি-র আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তিনি লেখেন, ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল চুরমার’। মালব্যর ওই পোস্টটি শেয়ার করে অভিষেক পাল্টা লেখেন, ‘বাংলা বিরোধী গুজরাতি গ্যাং এবং তাদের হাতের পুতুল জ্ঞানেশ কুমার দশ জন্মেও ডায়মন্ড হারবার মডেলের গায়ে টোল ফেলতে পারবে না’। যা আছে নিয়ে এসো। আমি ভারত সরকারকে চ্যালেঞ্জ করছি, ফলতায় আসুন। মহা শক্তিমান গডফাদারদের পাঠান দিল্লি থেকে। সাহস থাকলে ফলতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন’। 

এর আগে অমিত শাহকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার মামলায় হাইকোর্টে ভর্ৎসিত হন অভিষেক। তাঁকে রক্ষাকবচ দেওয়া হলেও, বিচারপপতি সৌগত ভট্টাচার্যের মন্তব্য ছিল, “একজন সর্বভারতীয় দলের সাধারণ সম্পাদক যদি এই ধরনের মন্তব্য করেন, তাহলে চিন্তা করে দেখুন, ভোটের ফল অন্যরকম হলে কী হত?” অভিষেকের ভার্চুয়াল হাজিরার আর্জিও খারিজ হয়ে যায়। আদালত জানায়, পুলিশ ডাকলে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে তাঁকে। আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশও যেতে পারবেন না।

Annapurna Yojana Scheme : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্মে কী কী তথ্য চাওয়া হচ্ছে ? কোন ওয়েবসাইট থেকে করবেন ডাউনলোড ?

Suvendu Adhikari : পয়লা জুন থেকে ৯০ দিন এই প্রক্রিয়াটা অনলাইন এবং অফলাইনে উভয়ভাবেই চলবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

কলকাতা : নবান্ন থেকে আজই অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পয়লা জুন থেকে ৯০ দিন এই প্রক্রিয়াটা অনলাইন এবং অফলাইনে উভয়ভাবেই চলবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তারপর থেকে রাজ্যজুড়ে মহিলাদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে। কেমন হল ফর্ম ? কী কী তথ্য দিতে হচ্ছে, তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে ‘অন্নপূর্ণাদের’ মধ্যে। সামনে এল সেই ফর্ম। কেমন হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ? https://socialsecurity.wb.gov.in/login- এই ওয়েবসাইটে গেলেই যে পেজ খুলছে তাতে বাংলা ও ইংরাজি উভয় ভাষাতেই ফর্ম ডাউনলোড করার অপশন পাওয়া যাচ্ছে। সেই ফর্ম অনুযায়ী, আবেদনকারীর পারিবারিক পরিচয়/পরিবারের প্রধানের নাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়েছে।

আর কী কী রয়েছে ?

১২ পাতার ফর্মে পরিবারের প্রধান সংক্রান্ত তথ্য, পরিবারের কতজন সদস্য…এরকম বিভিন্ন তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। পরিবারের প্রধান এবং পরিবারের সকল প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের (নগদ অর্থ স্থানান্তরের জন্য) তথ্য জানাতে বলা হয়েছে।

এপিক সংক্রান্ত ডিটেলস চাওয়া হয়েছে, ভোটার তালিকার অংশ নম্বর-সহ। এছাড়া রেশন কার্ড সংক্রান্ত তথ্য,যেমন- ডিজিটাল রেশন কার্ড আছে কি না, পরিবার রেশন দোকান থেকে মাসিক রেশন তুলছে কি না…এরকম বিভিন্ন তথ্য। সম্পদ কী রয়েছে তা জানাতে বলা হয়েছে। তারমধ্যে রয়েছে- বাড়ির ধরন, পারিবারিক জমির মালিকানার মতো বিষয়। পরিবারের সকল সদস্যের মোট জমির পরিমাণ কত জানাতে হবে।

যানবাহন সংক্রান্ত তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। উল্লেখ করতে হবে, আবেদনকারীর নিজের বা পরিবারের কোনও সদস্যের অ-বাণিজ্যিক মোটরচালিত চারচাকার গাড়ি আছে কি না। পরিবারভিত্তিক সদস্যদের স্বাস্থ্যবিমার তথ্য দিতে হবে। আয়/পেশার সম্বন্ধে বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করতে হবে।

পরিবারের শিক্ষিত প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের সংখ্যা এবং পরিবারের অশিক্ষিত প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের সংখ্যা, কোনও সদস্য কি কোনও সাংবিধানিক পদ, মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, পৌর স্থানীয় সংস্থা এবং পঞ্চায়েত সংস্থার প্রাক্তন/বর্তমান ধারক ? কোনও সদস্য কি সরকারি পেনশনভোগী ? পরিবারের মোট বার্ষিক আয়, কোনও সদস্য কি জিএসটি-র অধীনে নিবন্ধিত আছেন-এর মতো বিষয় জানতে চাওয়া হয়েছে।

যদি এসআইআর ২০২৬-এ নাম বাদ পড়ে থাকে, তবে মামলাটি ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন কি না, CAA আবেদনের বর্তমান অবস্থা, যদি থাকে…তা জানাতে হবে। এছাড়া আরও কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে যা উপরে উল্লেখিত ওয়েবসাইটে ঢুকে ফর্ম ডাউনলোড করে দেখা যাবে।

Amit Shah : ‘দেশের সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলুন’, বার্তা শাহর

Illegal Constructions : বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ফের কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

নয়াদিল্লি : বেআইনি নির্মাণে ‘জিরো টলারেন্স’। ক্ষমতায় এসেই অবস্থান একেবারে স্পষ্ট করে দিয়েছে এ রাজ্য়ের বিজেপি সরকার। আগামী দিনেও বেআইনি নির্মাণের ভবিষ্য়ৎ যে এটাই, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ফের কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, “আন্তর্জাতিক সীমানার ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে সব বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলতে হবে।” এককথায়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে এবং বিগত বছরগুলিতে গড়ে ওঠা এই ধরনের সমস্ত স্থাপনা ভেঙে ফেলার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জেলাশাসকদের ওপর বর্ধিত দায়িত্ব অর্পণ করেছে। এর আওতায় সীমান্ত এলাকায় সকল ব্যাঙ্কের লেনদেনের আইনি ও আর্থিক নিয়মকানুন মানা হচ্ছে কি না নিশ্চিত করা, বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলি যাচাই করা, তাদের অর্থের উৎস খতিয়ে দেখা, ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও নকল কোম্পানির সন্ধান করা, জাল আধার কার্ড শনাক্ত করা এবং আন্তঃসীমান্ত চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করা।

মঙ্গলবার রাজস্থানের বিকানেরে নিরাপত্তা পর্যালোচনা সংক্রান্ত একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করার সময় শাহ ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত রাজস্থানের সীমান্তবর্তী জেলাগুলির নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি মূল্যায়ন করেন। সেই বৈঠকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা, রাজ্যের সিনিয়র আধিকারিকরা এবং পাঁচটি সীমান্তবর্তী জেলা – বিকানের, জয়সলমের, বারমের, শ্রী গঙ্গানগর ও ফালোদি-র জেলাশাসক ও পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, অপরাধ ও মাদক-সমস্যার পিছনের উৎস, ধরন ও নেটওয়ার্ক নিয়ে গভীর সমীক্ষা চালাতে এবং স্থায়ী সমাধান করতে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে এই সমস্যাগুলি পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে না ওঠে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিটি সীমান্ত জেলার জন্য একটি ৩৬০-ডিগ্রি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন।

Assam-Mizoram: অসম-মিজোরাম সীমান্ত সমস্যা নিয়ে মোদীর ভূমিকায় প্রশংসা হিমন্ত বিশ্বশর্মার

কয়েক দশক ধরে চলা এই সমস্যার সমাধান যেভাবে করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, সে বিষয়ে বৈঠকে প্রশংসা করেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

নিউদিল্লি: সোমবার অসম-মিজোরাম সীমান্ত সমস্যার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। অসম-মিজোরাম সীমান্ত সমস্যা নিয়ে একমাস ধরে উত্তপ্ত রয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত। এর মধ্যেই সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, যেভাবে এই আন্ত:রাজ্য সমস্যার সমাধান করেছেন প্রধানমন্ত্রী, তা নিয়েও প্রশংসার সুর শোনা গিয়েছে অসমের মুখ্যমন্ত্রীর কথায়। 

জানা গিয়েছে, অসম-মিজোরাম সীমান্ত সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন তাঁরা। কয়েক দশক ধরে চলা এই সমস্যার সমাধান যেভাবে করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, সে বিষয়ে বৈঠকে প্রশংসা করেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, এমনটাই খবর। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। 

প্রতিবেশী মিজোরামের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের বিষয়ে বিস্তারিত অমিত শাহের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যের সঙ্গেও দেখা করেছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা করেছেন তিনি। 

সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান যে এই সমস্যা এক দিনেই সমাধান সম্ভব নয়। যদিও যতটা সম্ভব সমাধানের চেষ্টা করতে চেয়েছেন তিনি। এছাড়াও অসমে ড্রাগস সমস্যা নিয়েও আলোচনা করেছেন তিনি, এমন 

একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। চলতি মাসেই দুই রাজ্যের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর সীমান্ত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিল অসম ও মিজোরাম। সীমান্তে কেন্দ্রের নিরপেক্ষ বাহিনী মোতায়েনের উদ্যোগকেও সম্মতি জানিয়েছে দুই রাজ্য।

২৬ জুলাই দীর্ঘদিন ধরে চলা অসম-মিজোরামের সীমান্ত ফের ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল।সংঘর্ষের মধ্যে মৃত্যু হয়েছিল ৭ জন অসম পুলিশ কর্মীর।দুই রাজ্যের মধ্যে চলা সীমানা বিবাদ মিটিয়ে ফেলতে উদ্যোগী হয়েছিল মিজোরাম এবং অসম। দুই রাজ্যের মধ্যে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকও হয়। এই আলোচনা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হয়েছে উভয় পক্ষই।

Jagannath Chattopadhyay Bengal new minister: কলম ছেড়ে ক্ষমতার অলিন্দে: দুঁদে সাংবাদিক থেকে বিজেপির মন্ত্রীসভার উজ্জ্বল মুখ– কে এই জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?

BJP Bengal Minister Jagannath Chattopadhyay: জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের যাত্রাপথ শুরু হয়েছিল বিজ্ঞানের আঙিনা থেকে। পদার্থবিদ্যায় উচ্চশিক্ষা লাভ করার পর তিনি পেশা হিসেবে বেছে নেন সাংবাদিকতাকে। দীর্ঘ সময় ধরে বাংলার প্রথম সারির সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত থেকে সাংবাদিকতা জগতের এক অত্যন্ত পরিচিত মুখ।

প্রসেনজিত্‍ মালাকার: বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে সাংবাদিকতা থেকে রাজনীতির ময়দানে পা রাখার নজির কম নেই। তবে সেই পথ ধরে হেঁটে মাত্র পাঁচ বছরেই বিধানসভার গণ্ডি পেরিয়ে সোজা রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার ঘটনা বিরল।

বীরভূমের তথা সিউড়ির নবনির্বাচিত বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রীসভার নবনির্বাচিত মন্ত্রী। রূপকথার মতোই এক অনন্য অধ্যায় রচনা করলেন। সোমবার লোকভবনে রাজ্যে প্রথম গঠিত বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের দিনে রাজ্যপাল আর.এন. রবির কাছে মন্ত্রী হিসেবে গোপনীয়তার শপথ নিলেন সিউড়ির এই ভূমিপুত্র। সাংবাদিকের তীক্ষ্ণ প্রশ্নবাণ ছুঁড়ে যিনি একসময় ক্ষমতার অন্দরমহলকে কাঁপাতেন, আজ তিনি নিজেই সেই ক্ষমতার অলিন্দে এক গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি।

জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের যাত্রাপথ শুরু হয়েছিল বিজ্ঞানের আঙিনা থেকে। পদার্থবিদ্যায় উচ্চশিক্ষা লাভ করার পর তিনি পেশা হিসেবে বেছে নেন সাংবাদিকতাকে। দীর্ঘ সময় ধরে বাংলার প্রথম সারির সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত থেকে সাংবাদিকতা জগতের এক অত্যন্ত পরিচিত মুখ। একজন নির্ভীক সাংবাদিক হিসেবে সাধারণ মানুষের সমস্যা, অভাব-অভিযোগ প্রশাসনের সামনে তুলে ধরাই ছিল তাঁর রোজের কাজ। কিন্তু শুধু খবরের কাগজের পাতায় কলম পেষার মধ্যে নিজেকে আটকে রাখতে চাননি তিনি। মানুষের জন্য আরও সরাসরি এবং বৃহত্তর স্তরে কাজ করার তাগিদে ২০২১ সালে পেশাগত জীবন থেকে স্বেচ্ছাবসর নেন এবং সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) টিকিটে নিজের ঘরের মাঠ সিউড়ি কেন্দ্র থেকেই প্রথম নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন জগন্নাথ। তবে প্রথমবার ভাগ্য সহায় ছিল না। তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট প্রার্থী বিকাশ রায়চৌধুরীর কাছে অত্যন্ত অল্প ব্যবধানে পরাজিত হতে হয় তাঁকে। কিন্তু এই পরাজয় দমাতে পারেনি এই লড়াকু সাংবাদিককে। 

পরাজয়কে শক্তিতে রূপান্তরিত করে পরবর্তী পাঁচ বছর তিনি সিউড়ির মাটিতেই পড়ে রইলেন। কোনও পদ বা বিধায়ক তকমা না থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিরন্তর জনসংযোগ ও আন্দোলনের মাধ্যমে এলাকায় বিজেপির সংগঠন মজবুত করতে থাকেন। এর পুরস্কারও মেলে হাতেনাতে। রাজ্য বিজেপির অন্দরে ক্রমশ তাঁর গুরুত্ব বাড়তে থাকে; প্রথমে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে রাজ্য সহ-সভাপতির মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে।

লড়াই যাঁর রক্তে আর বিজেপির দীক্ষা যাঁর মননে– ২০২৬ এ তিনি ঠিক দেখিয়ে দিলেন লক্ষ্যে অবিচল থাকলে, সাফল্য আসবেই। তিনি নির্বাচনী প্রচারে মানুষের মন জয় করতে, মানুষকে নতুন দিন দেখাতে সফল হয়েছিলেন। তাই এই স্বপ্নের উড়ানে আজ তিনি রাজ্যের মন্ত্রী। 

জনপ্রতিনিধি না হয়েও বিগত পাঁচ বছরে সিউড়ির একাধিক কেন্দ্রীয় উন্নয়নমূলক প্রকল্পের নেপথ্য কারিগর ছিলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর একক ও নিরলস প্রয়াসেই গতি পেয়েছিল বীরভূমের বহু থমকে থাকা কাজ:

হাটজনবাজার রেল ওভারব্রিজ: দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা এই জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জট কাটাতে রেল মন্ত্রকের কাছে একাধিকবার দরবার করেন তিনি এবং কাজ এগিয়ে নিয়ে যান।

রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ: সিউড়ি-শিয়ালদহ রুটে মেমু (MEMU) এক্সপ্রেস ট্রেনের ব্যবস্থা করা এবং সিউড়ি রেল স্টেশনকে আধুনিক রূপ দেওয়ার পেছনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।

ভবিষ্যৎ প্রকল্প: সিউড়ি থেকে রাজনগর হয়ে ঝাড়খণ্ড পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণের প্রাথমিক অনুমোদন আদায়ের ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

পাঁচ বছরের এই কঠোর রাজনৈতিক অধ্যবসায় ও জনসেবার সুফল মিলল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে। বিজেপি দল পুনরায় তাঁর ওপর ভরসা রেখে সিউড়ি কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী পদ দেয়। এবার আর সিউড়ির মানুষ তাঁকে খালি হাতে ফেরায়নি। তৃণমূলের শক্তিশালী প্রার্থী উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বীরভূমের মাটিতে পদ্ম ফোটান জগন্নাথ।

সোমবার রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের দিনে যে ৩৫ জন মন্ত্রী শপথ নিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম চর্চিত নাম বীরভূমের এই ভূমিপুত্র। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর এই মন্ত্রিত্ব আসলে মাটি কামড়ে পড়ে থাকা লড়াই ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার এক যোগ্য স্বীকৃতি। সাংবাদিক থেকে জননেতা এবং অবশেষে রাজ্যের মন্ত্রী–জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের এই অভাবনীয় জার্নি বীরভূম তথা সমগ্র রাজ্যের রাজনীতিতে এক নতুন অনুপ্রেরণার জন্ম দিল। এখন মন্ত্রী হিসেবে সিউড়ির সার্বিক উন্নয়নকে তিনি কোন শিখরে নিয়ে যান, সেদিকেই তাকিয়ে আপামর বীরভূমবাসী।

SIP : ১,০০০ টাকার SIP-তে হবে ৫ লাখের তহবিল, জেনে নিন কত বছর সময় লাগবে ?

Investment Plan : কিন্তু আপনি যদি প্রতি মাসে মাত্র ১,০০০ টাকা করে বিনিয়োগ করেন, তবে ৫ লাখ টাকার লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপনার কত দিন সময় লাগবে?

Investment Plan : নিয়মিত কম পরিমাণে টাকা জমিয়ে আপনি গড়তে পারেন বড় তহবিল। সেই ক্ষেত্রে মিউচুয়াল ফান্ড (Mutual Fund) হতে পারে ভলা বিকল্প। মাসে মাসে সিস্টেমেটিক ইন্ভেস্টমেন্ট প্ল্যানের (SIP) মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন ভাল রিটার্ন । জেনে নিন,কীভাবে জমা করবেন টাকা ?

ছোট বিনিয়োগ দিয়েই বড় তহবিল

আজকাল একটি বড় তহবিল বা কর্পাস তৈরি করার অন্যতম সেরা মাধ্যম হয়ে উঠেছে মিউচুয়াল ফান্ডের SIP (Systematic Investment Plan)। কিন্তু আপনি যদি প্রতি মাসে মাত্র ১,০০০ টাকা করে বিনিয়োগ করেন, তবে ৫ লাখ টাকার লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপনার কত দিন সময় লাগবে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আপনার বিনিয়োগের ওপর প্রাপ্ত বার্ষিক রিটার্ন বা লাভের হারের (Annual Return) ওপর। নিচে তিনটি ভিন্ন রিটার্ন রেটের ওপর ভিত্তি করে একটি বিশদ হিসাব দেওয়া হলো:

১  বার্ষিক ১২%  রিটার্ন পেলে 
যদি আপনার পছন্দের ফান্ডটি দীর্ঘমেয়াদে গড়ে ১২% হারে রিটার্ন দেয়, তবে ৫ লাখ টাকার লক্ষ্য ছোঁয়ার হিসেবটি হবে ঠিক এইরকম:

সময়: প্রায় ১৫ বছর।

আপনার মোট বিনিয়োগ: ১.৮০ লাখ টাকা।

লাভ বা সুদ: বাকি ৩.২০ লাখ টাকাই আসবে চক্রবৃদ্ধি হারের ম্যাজিকে।

পরামর্শ: দীর্ঘমেয়াদে বেশিরভাগ ভালো ইক্যুইটি ফান্ড (Equity Funds) সহজেই ১২% রিটার্ন দিতে সক্ষম।

২ বার্ষিক ১৫% রিটার্ন পেলে 
যদি ফান্ডটি একটু ভালো পারফর্ম করে এবং ১৫% রিটার্ন দেয়, তবে লক্ষ্যপূরণ আরও সহজ হয়ে যাবে:

সময়: মাত্র ১৩ বছর ৩ মাস।

আপনার মোট বিনিয়োগ: প্রায় ১.৫৯ লাখ টাকা।

সুবিধা: বাজারে থাকা বেশ কিছু ভালো পারফর্মিং ফ্লেক্সি-ক্যাপ ফান্ড (Flexi-cap Funds) দীর্ঘমেয়াদে এই ধরনের চমৎকার রিটার্ন দিয়ে থাকে।

৩ বার্ষিক ২০% রিটার্ন পেলে 
১২% রিটার্নের তুলনায় ২০% রিটার্ন পেলে আপনি প্রায় ৪ বছর আগেই আপনার লক্ষ্যে পৌঁছে যাবেন:

সময়: মাত্র ১১ বছর।

সুবিধা: স্মল-ক্যাপ বা হাই-রিস্ক ফান্ডগুলি তেজি বাজারে অনেক সময় এই ধরনের উচ্চ রিটার্ন দিতে পারে।

কম্পাউন্ডিংয়ের শক্তি ও বাজারের ঝুঁকি: কী মাথায় রাখবেন ?
১ চক্রবৃদ্ধি বা কম্পাউন্ডিংয়ের জাদু 
SIP-র সবচেয়ে বড় শক্তি হলো কম্পাউন্ডিং। রিটার্নের হার সামান্য কয়েক শতাংশ বাড়লেই আপনার লক্ষ্যপূরণের সময় বেশ কয়েক বছর কমে আসতে পারে। যত বেশি সময় ধরে বিনিয়োগ ধরে রাখবেন, জাদুর মতো বাড়তে থাকবে আপনার টাকা।

২ বাজারগত ঝুঁকি 
মনে রাখা জরুরি যে, মিউচুয়াল ফান্ডের রিটার্ন কখনোই ফিক্সড ডিপোজিট বা পিএফের মতো নিশ্চিত বা স্থায়ী হয় না। এটি সম্পূর্ণভাবে শেয়ার বাজারের ওঠানামা এবং আপনার বেছে নেওয়া স্কিমের ওপর নির্ভর করে।

৩ দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি
স্বল্পমেয়াদী বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অনেক সময় রিটার্ন কম বা নেতিবাচক হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদে (Long-term) বিনিয়োগ বজায় রাখেন, তবে বড় অঙ্কের লাভ পাওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।

(সতর্কীকরণ: মিউচুয়াল ফান্ড বিনিয়োগ বাজারগত ঝুঁকি সাপেক্ষ। বিনিয়োগ করার আগে ফান্ডের সমস্ত নথি ভালো করে পড়ে নিন অথবা একজন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।)